• A
  • A
  • A
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ, মামলায় পার্টি হওয়ার আবেদন মঞ্জুর চাকরিপ্রার্থীদের

কলকাতা, ১২ মার্চ : ২০১৬ সালের কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষায় প্রায় ২০০০ প্রার্থীকে রেকমেন্ডেশন লেটার দিয়েছিল SSC (স্কুল সার্ভিস কমিশন)। এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রার্থী শিক্ষক হিসাবে কাজে যোগ দিলেও বাকি রয়েছে বেশ কয়েকজন। কারণ এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন কয়েকজন প্রার্থীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। কর্মশিক্ষার ১১১ জন ও শারীরশিক্ষার ৮৭ জন রেকমেন্ডেশন লেটার পাওয়ার পরও যোগ দিতে পারেনি স্কুলে। এই অবস্থায় তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা আবেদন জানিয়েছিল যে মামলাটির হাইকোর্টে শুনানি চলছে সেই মামলায় পার্টি হিসাবে তাদের যোগদানের অনুমতি দেওয়া হোক। আজ হাইকোর্ট সেই আবেদনে অনুমতি দিয়েছে।

ফাইল ফোটো


এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬-তে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মেরিট লিস্ট পাবলিশ করা হয়েছিল কি না, ইন্টারভিউ লিস্টে ১: ১.৪ রেশিও মেনে চলা হয়েছিল কি না এবং কী ভাবে ক্যাটেগরি মেনটেন করা হয়েছে এই সমস্ত বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে SSC-কে হাইকোর্টে হলফনামা জমা দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য। এরই সাথে সাথে পরবর্তী অর্ডার না দেওয়া পর্যন্ত কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষায় নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশও বজায় থাকবে বলে নির্দেশ দেন তিনি।


আজ সেই মামলাটি আবার বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যর বেঞ্চে উঠলে মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বলেন, "প্রাথমিকভাবে SSC ঘোষণা করেছিল শারীরশিক্ষায় ১০৬৮ টি শূন্যপদ আছে। এর জন্য ইন্টারভিউতে ডাকা হয় ৩০০০ জনকে। তাহলে এখানে কী ভাবে ১:১.৪ রেশিও মেনটেন করা হল? পাশাপাশি ফাইনাল যে প্যানেল লিস্ট তৈরি করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ১৭৬৮ জনের প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। তারমানে নিয়োগের সময় শূন্যপদের সংখ্যা বেড়েছিল। কিন্তু SSC কোনও ইন্টারভিউ লিস্ট বের করেনি। ফাইনাল ভেকেন্সি কত এবং ইন্টারভিউতে কতজনকে ডাকা হয়েছে সেটা জানাতে হবে। লিখিত পরীক্ষার রেজ়াল্ট বের করার সময় SSC এটা করতে বাধ্য। পাশাপাশি সংরক্ষণের নীতি মেনে ক্যাটেগরি ওয়াইজ় প্যানেল তৈরি করা হয়নি।"

অন্যদিকে স্কুল সার্ভিস কমিশানের আইনজীবী সুতনু পাত্র বলেন, "নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাজ ইতিমধ্যেই অনেকটাই সম্পন্ন হয়েগেছে। এবং ইন্টারভিউয়ের সময় আমরা ক্যাটেগরি মেনটেন করেই ইন্টারভিউতে ডেকেছিলাম। যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা এখন হাইকোর্টে এসেছে তারা সেই ইন্টারভিউতে অংশও নিয়েছিল। তারপর যেই দেখল তারা চান্স পায়নি তখন সঙ্গে সঙ্গে কোর্টে চলে এসেছে।"

শেষে বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছিলেন , "কিছু খামতি স্কুল SSC-র রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।" এবং তিনি স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীকে জিজ্ঞাসা করেন কতদিনের মধ্যে এই খামতির ব্যাপারে উত্তর দিতে পারবেন। তারপরই তিনি নির্দেশ দেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে হলফনামা দিতে হবে। এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES