• A
  • A
  • A
ধান বিক্রি করতে এসে হয়রানির শিকার কৃষকরা

কুশমণ্ডি, ১০ জানুয়ারি : বালুরঘাটের পর এবার কুশমণ্ডি। বনধের দ্বিতীয় দিনে কুশমণ্ডির কিষাণ মাণ্ডিতে ধান বিক্রি করতে এসে হয়রানির শিকার হতে হয় কৃষকদের। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও দেখা পাওয়া যায়নি মিল মালিকদের। এক দু'দিন নয় ১০-১২ দিন ধরে ধান নেওয়া হবে বলে কৃষকদের ঘোরানো হচ্ছে। অভিযোগ, কৃষকদের বদলে ফড়েদের কাছ থেকে কেনা হচ্ছে ধান। ব্লক প্রশাসনের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

Loading the player...

প্রতিটি কৃষাণ মাণ্ডির পাশাপাশি ১২টি CPC সহ জেলায় মোট ৩৮ টি কৃষি সমবায় সমিতির মাধ্যমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা হচ্ছে। সহায়ক দামে এখনও পর্যন্ত খাদ্য দপ্তর লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭০ শতাংশ ধান কিনতে পেরেছে বলে সূত্রের খবর। লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। গত সপ্তাহ পর্যন্ত প্রায় ৩১ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে।
বনধের দ্বিতীয় দিনে ধান বিক্রি করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয় কুশমণ্ডি ব্লকের কৃষকদের। কুইন্টাল কুইন্টাল ধান নিয়ে হাজির হলেও সেখানে সকাল থেকে অনুপস্থিত ছিলেন মিল মালিকরা। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও ধান কেনা শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয় কৃষকদের মধ্যে। ধান নেওয়া হবে বলে কৃষকদের গত কয়েক দিন ধরে ঘোরানো হচ্ছে। ১০-১২ দিন ধরে ধান বিক্রির জন্য ঘুরছেন বলে অভিযোগ কৃষকদের। এমন কী কৃষকদের বদলে ফড়েরাই ধান বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ। ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকরা ব্লক আধিকারিককে ফোন করেন। তারপর বিকেলে মিল কর্তৃপক্ষ এসে ধান কেনেন।


স্থানীয় তৃণমূল কিষাণ ক্ষেত মজুরের কুশমণ্ডি ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের জানানো হয়েছিল গতকাল ধান কেনা হবে। কিন্তু ধান বিক্রি করতে এসে তাঁরা দেখেন কেউ নেই। তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনবেন এবং আজ থেকে নিজেই ঘটনাস্থানে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। গঙ্গারামপুরের মহকুমাশাসক দেবাঞ্জন রায় ও জেলা খাদ্য নিয়ামক অমরেন্দ্রনাথ রায় বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES