• A
  • A
  • A
অনুগামীদের গ্রেপ্তারের পর থানা ঘেরাও তৃণমূল নেতার, উত্তপ্ত জলপাইগুড়ি

জলপাইগুড়ি, ১০ জানুয়ারি : তৃণমূল যুব নেতাকে মারধরে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তারের পরই উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়িতে। দলবল নিয়ে জলপাইগুড়ি থানা ঘেরাও করেন তৃণমূলের তপশিলি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মণ। থানার কোলাপসিবল গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Loading the player...
ঘটনাস্থানের ছবি


গতকাল জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সামনে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সম্পাদক কৌস্তুভ তলাপাত্রকে মারধর করা হয়। ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস ও তাঁর অনুগামীদের। এরপর গতরাতে অভিযান চালিয়ে কৃষ্ণ দাসের তিন অনুগামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।



কৃষ্ণ দাস

তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সম্পাদক কৌস্তুভ তলাপাত্র বলেন, "গতকাল বের হওয়ার সময় দেখি বাড়ির সামনে গাড়ি পার্ক করা আছে। লোকজনের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছিল তাই আমি গাড়িগুলো সরাতে বলি। এরপরই আমার উপর চড়াও হয় কৃষ্ণ দাস। আমাকে বাঁশ ও লাঠি দিয়ে মারা হয়। আমি তৃণমুল যুব কংগ্রেসের যুব সম্পাদক পদে আছি। গতমাসে পাহাড়পুরের যুব সভাপতি লুৎফর রহমানের উপর কৃষ্ণ দাসের হামলার প্রতিবাদ করেছিলাম। তাই, কৃষ্ণ দাস তার দলবল নিয়ে আমাকে মারধর করল।"

আগে যা ঘটেছে : যুব সংগঠনের সম্পাদককে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে
কৃষ্ণ দাস বলেন, "আমি কাউকে মারিনি। গতকাল আমাদের কিষাণ মজদুর সভার রাজ্য সভাপতি জেলা পরিষদে বৈঠক করতে এসেছিলেন। তাই, ওখানে একাধিক গাড়ি ও বাইকে আমাদের লোকজন এসেছিল। বেশ ভিড় হয়েছিল। কৌস্তুভ আমাদের গাড়ি সরাতে বলে। এরপর ৬টি মোটরবাইকের হাওয়া খুলে দেয়। কয়েকটি বাইকের লুকিং গ্লাস ভেঙে দেয়। যাদের বাইকের ক্ষতি হয়েছে, তারাই ওকে মেরেছে। ছেলেটিকে আমি চিনিও না। ও আমাদের দলের কেউ না। আমি ফোন করে ওকে পুলিশের হাতে তুলে দিই। আমি ওকে মারিনি। উলটে যারা মারছিল তাদের আটকেছি।"

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES