• A
  • A
  • A
শিক্ষাকেন্দ্রে অনুপস্থিত সহায়িকারা, সাম্মানিক যাচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে

মালদা, ১১ জানুয়ারি : খাতায় কলমে সহায়িকা ৯ জন। কিন্তু প্রতিদিন তিন-চারজনের বেশি কারও দেখা পাওয়া যায় না। আবার সেই তিন-চারজনের বেশিরভাগ স্কুলে এসে না পড়িয়ে গল্প করে চলে যান। অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাঁদের সাম্মানিক জমা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এটাই এখন পুরাতন মালদা পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের রশিলাদহ এলাকার শিশু শিক্ষাকেন্দ্রের ছবি।

Loading the player...

রশিলাদহ এলাকায় মূলত নিম্নবিত্ত পরিবারের বসবাস। সেখানকার বেশিরভাগ মানুষ পেশায় কুম্ভকার অথবা শ্রমিক। সেখানেই রয়েছে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র নামের স্কুলটি। অভিভাবকরা জানান, SSK শুরু হওয়ার পর স্থানীয় চার-পাঁচজন মহিলা নিয়োগপত্র ছাড়াই স্কুল সামলানোর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। পরে সেখানে নিয়ম মেনে সহায়িকা নিয়োগ হলেও পুরোনোরা থেকে যান। অভিযোগ, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সহায়িকারা যে সাম্মানিক পেতেন তা আগে পেতেন হাতে হাতে। পরে তা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করে। এতেই শুরু হয় বিবাদ। এরপর থেকেই নিয়োগ হওয়া সহায়িকাদের মধ্যে তিনজন স্কুলে আসা বন্ধ করে দেন। এই অবস্থায় একাই স্কুলের সমস্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মিনতি কুণ্ডু নামে এক সহায়িকা।


মিনতিদেবী জানান, SSK শুরু হওয়ার পর স্থানীয় চার-পাঁচ জন এই কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতেন। তারপরে তাঁদের নিয়োগ করা হয়। অলিখিতভাবে পুরোনোরাও কেন্দ্রে থেকে যান। প্রায় দেড় বছর আগে সাম্মানিক নিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল। তারপর থেকেই গরহাজির আশা কুণ্ডু, কাকলি সরকার ও শিখা ঘোষ নামের তিনজন সহায়িকা। এই অবস্থায় মিনতিদেবীর পক্ষে একা কেন্দ্র চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিষয়টি কাউন্সিলর সহ পৌরসভাকে জানানো হলেও কোনও ফল হয়নি।

স্থানীয় কাউন্সিলর সুজন সাহা বলেন, "পুরাতন মালদা পৌরসভার প্রথম সারির শিশু শিক্ষাকেন্দ্রগুলির মধ্যে আমার ওয়ার্ডের রশিলাদহ কলোনি অন্যতম। এখানে চারজন সহায়িকা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন বছর দেড়েক ধরে শিক্ষাকেন্দ্রে আসেন না। শিক্ষাকেন্দ্রে না এসেও তাঁদের সাম্মানিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "সমস্ত ঘটনা আমি পৌর কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পৌরসভা থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমানে এই কেন্দ্রে যেসব শিশুরা আছে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে টানাটানি চলছে।" সুজনবাবুর অভিযোগ, ওই সহায়িকারা দু-তিন মাস পর পর এসে খাতায় সই করে যান। এই অবস্থায় কার্যত ধুঁকছে এই শিশু শিক্ষাকেন্দ্র।

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES