• A
  • A
  • A
তিনটি ভিন্ন মেলা প্রাঙ্গণ, শুরু বিষ্ণুপুর মেলা

বিষ্ণুপুর, ২৪ ডিসেম্বর : তিনটি ভিন্ন মেলা প্রাঙ্গণ তৈরি করে শুরু হল ৩১ তম বিষ্ণপুর মেলা। গতকাল এই মেলার উদ্বোধন করেন প্রবীণ গবেষক ও পুরাতত্ত্ববিদ চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত। রামশরন সংগীত মহাবিদ্যালয়ের শিল্পীদের সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় এই মেলা। মেলার উদ্বোধনী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ব্যানার্জি, রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা, বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য, জেলাশাসক উমাশংকর এস, পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও সহ অন্যরা।


প্রত্যেক বছর একই মেলা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির নামানুসারে তৈরি হয় বিভিন্ন মঞ্চ। কিন্তু এবছর তিনটি মেলা প্রাঙ্গণে তৈরি করা হয়েছে তিনটি ভিন্ন মঞ্চের। বিষ্ণুপুর হাইস্কুল মাঠে গোপেশ্বর মঞ্চ, নন্দলাল মন্দির চত্বরে যদুভট্ট মঞ্চ ও পোড়া মাটির হাটে তৈরি হয়েছে রামানন্দ মঞ্চ। মেলার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রাজ্য সরকারের কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজসাথী, নির্মল বাংলা, সবুজশ্রী, লোক প্রসার, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ ও বাংলার আবাস যোজনাকে তুলে ধরা হলেও মেলায় খোলা মঞ্চের পরিবেশ দেখে অখুশি অনেকেই। উপরন্তু, গোপেশ্বর মঞ্চে শাস্ত্রীয় সংগীতের ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা যায়।
অন্যদিকে বিষ্ণুপুর ঘরানার সংগীত শুনে খুশি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ব্যানার্জি। তিনি বলেন, "বিষ্ণুপুরে এসে অনেকদিন পর ধ্রুপদ ধামালি শুনতে পেলাম।"


পাঁচদিন ব্যাপী এই মেলায় এবছর থাকছে ৯৯ টি ক্ষুদ্র কুটিরশিল্পের স্টল। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে আদিবাসী ও লোক সংস্কৃতির উপর। অন্যদিকে বড় মাপের শিল্পী না থাকায় মুষড়ে পড়েছেন বিষ্ণুপুরের সংগীত প্রেমীরা। ইতিমধ্যে তা নিয়ে সোশাল সাইটে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অনেকে।