• A
  • A
  • A
নিজের পরিবারকে বাঁচাতে অস্ত্র তুলে নিন মহিলারা : লকেট

বাঁকুড়া, ২৮ ডিসেম্বর : "বাংলায় একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তারপরও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। মহিলাদের যদি প্রতিবাদ করতে হয়, তাহলে অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামতে হবে।" বাঁকুড়াতে BJP-র আইন অমান্য কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে একথা বলেন BJP নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।

Loading the player...

জেলাশাসককে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পর BJP নেত্রী বলেন, "প্রশাসনের উপর কোনও ভরসা নেই। বাংলার মহিলাদের ধর্ষণ করা হয়েছে। এমন কী, তাঁরা বিচার পর্যন্ত পাননি। যারা দোষী তারা তৃণমূলে নাম লিখিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরজন্য প্রশাসন কিছু করছে না। তাই বলছি, প্রশাসনের উপর ভরসা না করে নিজেদের বাঁচাতে গেলে রাস্তায় নামতে হবে। আগামীদিনে নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতে গেলে রাস্তায় নেমে, দরকার হলে নিজেদের হাতে অস্ত্র ধরতে হবে। প্রশাসনের উপর নির্ভর করা যাবে না। বাঁচতে তো প্রত্যেক মানুষকে হবে, প্রতিটা পরিবারকেই হবে। মহিলাদের যদি প্রতিবাদ করতে হয়, তাহলে অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামতে হবে।"
তিনি অভিযোগ করেন পশ্চিমবঙ্গে নৈরাজ্য চলছে। তাঁর কথায়, "পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে BJP কর্মীদের খুন করা হয়েছে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তাঁদের জেলে পুরে রাখা হচ্ছে। আমাদের এই যে গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা, সেটাকে যেভাবেই হোক ষড়যন্ত্র করে বন্ধ রাখা হয়েছে। দুর্নীতি চলছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাকে বাংলা আবাস যোজনা নামে চালিয়ে নিজেদের লোককে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। আসলে যাদের সুবিধা পাওয়ার কথা, তাদেরকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। সবকিছু মিলিয়েই আজ আমাদের বাঁকুড়া জেলার পক্ষ থেকে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে।"


গতকাল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় প্রশাসনিক বৈঠকের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুলতলি থানার OC-কে প্রশ্ন করেন, "বোমা ও অস্ত্র উদ্ধার করছেন? নাকা চেকিং চলছে?" উত্তরে OC বলেন, "এবছর এখনও পর্যন্ত পঞ্চাশের বেশি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। বোমাও উদ্ধার হয়েছে।" তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "কুটির শিল্পের মতো বোমা তৈরি হয়। বোমা ও অস্ত্র বেশি করে উদ্ধার করুন। এইসব জায়গা থেকেই নানা পরিকল্পনা করা হয়।" সে প্রসঙ্গে BJP নেত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "একে একে সব স্বীকার করবেন। আগে বলতেন যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা বলে কিছু নেই। এখন বলছেন টাকা রয়েছে। কিন্তু, আমাদের রাজ্যে সেই নামটা ঘুরিয়ে দেব। সবকিছু স্বীকার করছেন। তিনি বুঝতে পারছেন, তৃণমূলের প্রত্যেকটা লোক যেভাবে বোমা, অস্ত্র সহ বালি পাচার, গরু পাচার সবকিছুতে জড়িয়ে গেছে তা থেকে দলকে বের করে আনা খুব মুশকিল। জনসমক্ষে বলছেন বোমা কারখানা রয়েছে। ওই যে বললাম, চোরকে বলছেন চুরি করতে আর গৃহস্থের লোককে বলছেন সজাগ থাকতে। উনি ক্যামেরার সামনে, সবার সামনে বলছেন বোমা কারখানা রয়েছে। আর পিছনে বলছেন বোমা দিয়ে এদেরকে উড়িয়ে দিন, মানুষকে খুন করে দিন। রক্তের রাজনীতি চলছে।"

পাশাপাশি, রথযাত্রা নিয়েও মুখ খোলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর আশা, সুপ্রিম কোর্টে অনুমতি মিলবে রথযাত্রার। তাঁর বক্তব্য, "২০১৯ দোরগোড়ায় রয়েছে। আমরা জানি যে সুপ্রিম কোর্টে গেছে। আদালতের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, এটা BJP-র যাত্রা নয়, গণতন্ত্র বাঁচানোর জন্য এটা বাংলার মানুষের যাত্রা। যে কারণে আমাদের যাত্রা ছিল, তার সুফল পাবে বাংলার মানুষ। সেই বিশ্বাস থেকেই বলছি, আগামী বছর সুখবর পাব যে এই যাত্রা আমরা বাংলার মানুষকে ফিরিয়ে দিতে পারব। যেভাবে ষড়যন্ত্র করে এই যাত্রাকে বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল, তা বিফলে যাবে না।"

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES