• A
  • A
  • A
সরকার কিনছে মোটা চালের ধান, গাড়ি আটকাচ্ছে মিনিকেটের !

বর্ধমান, ৯ জানুয়ারি : ফড়ে রুখতে ধরপাকড়ের জেরে অসুবিধায় পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার রাইস মিলগুলি। ধানের গাড়ির নামে আটকানো হচ্ছে মূলত মুড়ির ধান এবং মিনিকেট চালের ধানের গাড়ি। এই অভিযোগ করা হয়েছে জেলার রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে।

Loading the player...

রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বলা হয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ২০ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন করা হয়। এর মধ্যে ৪ লাখ মেট্রিক টন ধান রাজ্য সরকার সহায়ক মূল্যে কিনে নেয়। বাকি ধান খোলাবাজারের মাধ্যমে পৌঁছে যায় বিভিন্ন রাইস মিলে। সরকার যে ধান কিনছে তা মোটা চাল অর্থাৎ স্বর্ণ ধান। এদিকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার জন্য যেসব রাইস মিলের সঙ্গে চুক্তি হয়নি তারা খোলাবাজার থেকে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনে। তারা বিশেষত মিনিকেট কিংবা ললাট ধান কিনে থাকে। প্রশাসন এই সব ধানের গাড়িই আটকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ধড়পাকড়ের জেরে জেলার রাইস মিলগুলিতে আর চাষিরা ধান বিক্রি করতে আসতে পারছেন না।
অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর ,পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম এমনকী পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকে ধানের গাড়ি আসা বন্ধ হয়ে গেছে। রাইস মিলগুলিতে ধান কেনার মূল কাজটি চলে পৌষ মাসে। কিন্তু বেশিরভাগ রাইস মিলে গিয়ে দেখা যাচ্ছে ধানের গোডাউন সম্পূর্ণ ফাঁকা। রাইস মিলের উপর নির্ভর করে যেসব শ্রমিকদের দিন চলে তাঁরা কাজ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। এর জেরেই বন্ধ হতে বসেছে অনেক রাইস মিল।


রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত মণ্ডল বলেন, "সরকার মূলত কমন রাইস অর্থাৎ স্বর্ণ জাতীয় ধান কিনে থাকে। অথচ পুলিশ প্রশাসন মিনিকেট বা ললাট জাতীয় ধানের গাড়ি আটকে দিচ্ছে। ফলে যেসব রাইস মিল ভাতের চাল কিংবা মুড়ির চাল তৈরি করে অথবা খাস চাল তৈরি করে সেই সমস্ত রাইস মিলগুলো সংকটের মুখে পড়েছে। এর ফলে আগামীদিনে চালের দাম বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এইভাবে আরও দিন দশেক চলতে থাকলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় বেশকিছু রাইস মিল বন্ধের মুখে চলে যাবে।"

কিন্তু প্রশাসন এই অভিযোগ স্বীকার করতে নারাজ। জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব এ নিয়ে রাইস মিলের কর্তাদের দুশ্চিন্তা করতে বারণ করেছেন। তিনি বলেন, "উপযুক্ত কাগজ থাকলে কোনও গাড়িই আটকানো হচ্ছে না। ট্রাক্টরে যদি ধানের চালান থাকে তাহলে সেই ধান আটকানো হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিষয়টি নিয়ে রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তারা যদি কোন সমস্যায় পড়ে তৎক্ষণাৎ যেন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে।"

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES