• A
  • A
  • A
বধূ বদল মামলা : আজ অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে মেইল, উদ্ধার পণ সামগ্রী

কলকাতা, ১১ জানুয়ারি : অভিযোগ দায়ের করার দিনই কেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন আইনজীবী। সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন ছিল, কেন গোটা ঘরে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ পণ সামগ্রী উদ্ধার করতে পারল না ? এর মাধ্যমে পণের অভিযোগ অস্বীকার করার চেষ্টা ছিল বলে মনে করছিল সংশ্লিষ্ট মহল। কিন্তু কলকাতা পুলিশ গতকাল উদ্ধার করেছে পণ সামগ্রী। পুলিশ সূত্রে খবর, পণের যে লম্বা তালিকা অভিযোগপত্রের সঙ্গে দিয়েছিলেন অভিযোগকারিণী, তার অনেকটাই ঠিক। এদিকে, মামলার তদন্তে আজ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী এক মহিলাকে ই-মেইল করছে লালবাজার। কলকাতা পুলিশের হেড কোয়ার্টার সূত্রে খবর, এই মামলায় আজ থেকে কড়েয়া থানাকে সহযোগিতা করবে গোয়েন্দা বিভাগ।


এই মামলায় ওই অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী যুবতির বয়ান গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছে লালবাজার। অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, তিনি স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় গেছিলেন। সেখানে থাকেন তাঁর এক বান্ধবী। স্বামী ওই বান্ধবীকেও ছাড়েনি। ভ্রমণকালের মধ্যে তাঁর সঙ্গেও গড়ে তোলেন সম্পর্ক। মামলার তদন্তে তাঁকে ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে প্রশ্ন। যাতে বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হচ্ছে অভিযোগকারিণীর বক্তব্য সঠিক কি না।


কলকাতার নামী ব্যবসায়ী পরিবার। স্বর্ণ শিল্পে নাম আছে তাদের সংস্থার। সেই সংস্থার অন্যতম দুই কর্ণধারের বিরুদ্ধেই কড়েয়া থানায় অভিযোগ এনেছেন গৃহবধূ। অভিযোগ, প্রায় দশ বছর ধরে চালানো হচ্ছে অত্যাচার। ভাশুর ধর্ষণ করেছে উপর্যুপরি। এমন কী অভিযোগ, অত্যাচার চালানো হয়েছে স্বামীর মদতে। জানা গেছে, ২০০৪ সালে ওই যুবতির সঙ্গে বিয়ে হয় ওই স্বর্ণ সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর- পরিবারের ছোটো ছেলের। অভিযোগ, বিয়ের পর পণ নিয়ে চাপাচাপি ছাড়া, বাকি সব কিছু চলছিল মোটের উপর ঠিকঠাক। কিন্তু বিয়ের তিনবছর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় অত্যাচার। তারপর থেকেই তাঁকে লাগাতার ধর্ষণ করতে শুরু করে ভাশুর তথা ওই সংস্থার আর এক ডিরেক্টর। অভিযোগ, দাদার স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক আছে স্বামীরও। আর সেই কারণেই ভাশুরের ধর্ষণের কথা স্বামীকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। বরং স্বামী তাঁকে বধূবদলের কথাই বলেন। শুধু তাই নয়, তাকে নাকি বিষয়টি চেপে যাওয়ার জন্যও বলা হয়। অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলেই পণের জন্য চাপ দেওয়া হত। পাশাপাশি ওই গৃহবধূর নাকি বিকৃত যৌন লালসা ছিল। সূত্র জানাচ্ছে, যে ১৮ পাতার FIR ওই যুবতি করেছেন তাতে তিনি লিখেছেন, "বিছানায় আমার হাত পা বেঁধে আমার চোখ বেঁধে পায়ু সঙ্গম করা হত। তাতে রক্তাক্ত হতাম।" ওই যুবতির দাবি, সংসার বাঁচাতেই এতদিন মুখ বুঝে সব কিছু সহ্য করেছেন। কিন্তু এখন সবটা সহ্যের বাইরে চলে গেছে। আর সেই কারণে গত জুলাই মাসে বালিগঞ্জ পার্কের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES