• A
  • A
  • A
প্রেসিডেন্সি জেলে বোমারু মিজান, কড়া নিরাপত্তা চায় NIA

কলকাতা, ১১ জানুয়ারি : জামাত-উল-মুজাহিদিন ইন্ডিয়ার চিফ। বোমা বিশেষজ্ঞ। বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত। এমন হাইপ্রোফাইল বন্দী এই মুহূর্তে রয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। অতীতে পুলিশি হেপাজত থেকে পালিয়েছিল সে। তাই তার বিষয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না NIA। জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তাই তারা সুরক্ষার বিষয়ে এক গুচ্ছ প্রস্তাব রেখেছে।

ফাইল ফোটো


বহু খোঁজখবর চালানোর পর অগাস্টে কর্নাটকের রামাগাড়া থেকে ধরা পড়ে মণিরুল। NIA জানতে পারে সে আর কেউ নয় জাইদুল ইসলাম ওরফে বোমারু মিজান। ভারতে তার ছদ্মনাম কওসর। জামাত-উল-মুজাহিদিন প্রধান সালাউদ্দিনের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ মিজানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সংগঠনের ভারতীয় শাখার। কর্নাটকের কোলারের একটি টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে চাকরি নিয়ে গোপনে সংগঠনের মডিউল তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল সে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। NIA-এর হাতে ধরা পড়তে হয় তাকে। তার গ্রেপ্তারির খবর পেয়েই তৎপর হয় কলকাতা পুলিশের STF(স্পেশাল টাস্ক ফোর্স)। নভেম্বর মাসের ২৭ তারিখ তাকে হেপাজতে পায় STF। পশ্চিমবঙ্গে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের বেশ কয়েকটি খটকার জবাব পাওয়ার জন্যই কওসরকে হাতে চাইছিল তারা। একমাস STF-এর হাতে থাকার পর ডিসেম্বরে ১৪ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে পায় NIA। সেই মেয়াদ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। তারপরেই তাকে রাখা হয় প্রেসিডেন্সি জেলে।


সূত্রের খবর, কওসরের সুরক্ষায় জেল কর্তৃপক্ষের কাছে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে NIA। তাকে রাখা হচ্ছে একটি পৃথক সেলে। হাইপ্রোফাইল এই বন্দীর গুরুত্ব বিচার করে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ দূরবীন দিয়ে প্রতিমুহূর্তে তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। কিন্তু এই সুরক্ষায়ও খুশি নয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারা অনুরোধ করেছে, কওসরের সেলে CCTV বসানোর। যাতে তার উপর ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো যায়। সঙ্গে তার সেলে নজর রাখার জন্য চারজন নিরাপত্তারক্ষীকে সবসময়ের জন্য মোতায়েন রাখার সুপারিশ করেছে NIA।

জুলাইয়ে NIA কেরালার মালাপ্পুরমের একটি বাঙালি শ্রমিক কলোনি থেকে গ্রেপ্তার করে দু'জনকে। বুদ্ধগয়া বোমা বিস্ফোরণ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নাম আবদুল করিম(১৯) ওরফে ছোট্টা এবং মোস্তাফিজ়ুর রহমান ওরফে তুহিন। ছোট্টার বাড়ি মুর্শিদাবাদের ইলিজাবাদে। আর তুহিন বীরভূমের বাসিন্দা। তুহিন JMI-এর অন্যতন মাথা। সে বিস্ফোরক বানাতে ওস্তাদ। খোদ মিজান তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বলে খবর। মিজান তুহিনের উপর অনেকটাই নির্ভর করত। একমাত্র সেই জানত মিজানের অবস্থান। তাকে জেরা করেই বোমারু মিজানের খোঁজ পায় NIA। তারপরে বেঙ্গালুরু থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে রামাগাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মিজানকে। জানা যায়, গত বছরেই সে রামাগাড়ায় আসে। আমির খান নামে এলাকায় এক জনৈক বাসিন্দার বাড়িতে ভাড়ায় থাকতে শুরু করে। তার কাছে পাওয়া যায় বোমা বানানোর সার্কিট, বিস্ফোরক, ল‍্যাপটপ। তবে শুধু বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণ মামলা নয়, মিজান খাগরাগড় কাণ্ডেরও মূল অভিযুক্ত। একটা সময় তার মাথার দাম ১০ লাখ টাকা ঠিক করে পোস্টার দেয় NIA। কিছুতেই তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সূত্র জানাচ্ছে, এর মাঝে বসে থাকেনি মিজান। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদাসহ একাধিক জায়গায় তৈরি করেছে জামাত উল মুজাহিদিন ইন্ডিয়ার মডিউল।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES