• A
  • A
  • A
ফড়ে রুখতে পদক্ষেপ জেলা প্রশাসনের

পুরুলিয়া, ২৭ ডিসেম্বর : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন ফড়েদের হাত থেকে চাষিদের রক্ষা করতে। আর এই নির্দেশের পর তা কার্যকর করতে তৎপর হয়েছে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। রাজ্য সরকারে নির্দেশিকা অনুযায়ী কুইন্টাল প্রতি ১৭৫০ টাকা দরে কৃষকরা যাতে সহায়ক মূল্য পান সেই দিকেই নজর দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে ব্লকে ব্লকে সচেতনতা প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়াও একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। আগামীকাল থেকে জেলায় ১৫০টি শিবিরে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ধান কেনা শুরু হবে বলে জানান জেলাশাসক অলকেশ প্রসাদ রায়। অসাধু ফড়েদের উৎপাত রুখতে এক সপ্তাহ আগে থেকেই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন অসাধু ফড়ে ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে কৃষকদের থেকে কম মূল্যে ধান কেনার অভিযোগ ছিল।

Loading the player...

প্রসঙ্গত, জেলায় ইতিমধ্যে ১২ টি চাল কল রয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা বর্তমানে ১০ হাজার মেট্রিক টন। এবার তা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন করা হয়েছে। গতবারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১৯ মেট্রিক টন কম ধান কিনতে সক্ষম হয়েছিল চাল মিলগুলি। তাই এবারেও জেলায় ইতিমধ্যে ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন প্রশাসন ও মিল মালিকরাও।
এই প্রসঙ্গে জেলাশাসক বলেন, "আমরা কোনও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু কৃষকদের সমস্যা ও অসহায়তার কথা মাথায় রেখে সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকরা যাতে টাকা পান সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, " গ্রামে গিয়ে কৃষকদের থেকে ধান নেওয়া হবে। এবার তিন দিনের মধ্যে ধানের টাকা এবং ২০ টাকা উত্সাহ ভাতা পাবেন কৃষকরা। এমন কী যদি জমির প্রকৃত চাষি উপস্থিত থাকেন বা জমির প্রমাণপত্র নিয়ে যাওয়া হয় তবে ওই পরিমাণের চেয়ে বেশি ধান কিনবে সরকার। এছাড়া অতিরিক্ত শিবিরগুলি থেকে ২৫ কুইন্টাল পর্যন্ত ধান নেওয়া হবে।"


অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাত বলেন, "বাংলার চাষিরা যাতে ফড়েদের প্রতারণার শিকার না হন তার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। ফড়েদের উৎপাত কমাতে জেলা প্রশাসনও উদ্যোগ নিয়েছে। কোনও রাজনৈতিক রং না দেখে ফড়েদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। আগামী দিনে চাষিরা যাতে ধানের বদলে প্রাপ্য টাকা পান সেই জন্য গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প করে চাষিদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হবে।" তবে এক শ্রেণির চাল মিল মালিকরা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা বাড়ালেও জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল মিল নেই। তাই ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা কতটা পূরণ হবে সেই বিষয়ে সংশয় রয়েছে।"

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES