• A
  • A
  • A
একদিনেই জামিন পেলেন বিরিঞ্চিরা

পুরুলিয়া, ৪ জানুয়ারি : গ্রেপ্তার হওয়ার পরদিনই জামিনে ছাড়া পেলেন পুরুলিয়ার দাপুটে BJP নেতা বিরিঞ্চি কুমার। গতকাল সরকারি আধিকারিককে হেনস্থা, সরকারি কাজে বাধা ও হিংসাত্মক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে বিরিঞ্চিসহ ১১ BJP নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাঁদের পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হলে সকলেই জামিন পান।

Loading the player...
আদালতের পথে বিরিঞ্চি কুমার


পঞ্চায়েত ভোটে বলরামপুরসহ পুরুলিয়ার একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানোর মূল কারিগর ছিলেন বিরিঞ্চি। বজরং দল, বি‌শ্ব হিন্দু পরিষদসহ RSS-র শাখা সংগঠনগুলিকে চাঙ্গা করেন তিনি। রাজ্যজুড়ে BJP প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এলেও তৃণমূলের জয়ের দাপট কমেনি। সেই পরিস্থিতিতে শাসকদলকে রীতিমতো ব্যাকফুটে ফেলে বলরামপুরে কার্যত একা হাতে BJP-কে জেতান বিরিঞ্চি। তাঁর মতো দাপুটে নেতা জামিন পাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে জেলা BJP নেতৃত্ব।
গতকাল বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনের সময় BJP ও তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শেষ হলে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে BJP ও তৃণমূল সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে তাদের সঙ্গে বচসা বাধে BJP সমর্থকদের। বেশ কয়েকজন BJP কর্মী জখম হন। আক্রান্ত হন দুই পুলিশকর্মীও। ঘটনাস্থান থেকে BJP পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিরিঞ্চি কুমার, জেলা সাধারণ সম্পাদক বিবেক রাঙা, মণ্ডল সভাপতি অশ্বিনী সিং সর্দার, কর্মী অর্জুন মুর্মুসহ ৯ জন BJP নেতাকে গ্রেপ্তার করে বলরামপুর থানার পুলিশ।


অপরদিকে, গতকালই জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বোর্ড গঠন চলাকালীন সভাকক্ষ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকের সঙ্গে বচসা হয় BJP কর্মীদের। জয়পুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই আধিকারিক। বয়ান অনুযায়ী, তিনি ও তাঁর রক্ষীর উপর হামলা চালায় BJP সমর্থকেরা। তারপর সরকারি কাজে বাধা, সরকারি আধিকারিককে হেনস্থা ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে দুই BJP কর্মী গৌতম মাহাত ও রাকেশ মাহাতকে গ্রেপ্তার করে জয়পুর থানার পুলিশ।

এই সংক্রান্ত আরও খবর :BJP-র সমান আসন পেয়েও জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতি দখল তৃণমূলের
আজ ধৃতদের আদালতে পেশ করার সময় আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়। আদালত চত্বরে উপস্থিত BJP-র জেলা সম্পাদক রবিন সিং দেও আজ বলেন, "তৃণমূলের সঙ্গে দলবাজি করছে প্রশাসন ও পুলিশ। নিম্ন মানসিকতা দেখিয়ে চিকিৎসাধীন সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশি আচরণ ও প্রশাসনের ভূমিকায় সকলেই ক্ষুব্ধ। এর প্রতিফলন হবেই।"


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES