• A
  • A
  • A
লটারির টিকিট কেটে সর্বস্বান্ত দম্পতি, ঝাঁপ ট্রেনের সামনে

পুরুলিয়া, ৪ জানুয়ারি : ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা দম্পতির। ঘটনাটি পুরুলিয়া স্টেশন সংলগ্ন কার্টিন রেল গেটের। মৃতদের নাম শেখর ওরফে শেফাল কর্মকার(৬৫) এবং তাঁর স্ত্রী বাণী কর্মকার (৫৫)। বাজারে অনেক ধার থাকায় তাঁরা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছেন আত্মীয়রা। গতকাল রাতে তাঁদের ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে GRP। দেহ শনাক্তকরণের পর পুরুলিয়া GRP দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রবিবার তাঁদের অ্যামেরিকা নিবাসী দুই মেয়ে ফিরলে হবে শেষকৃত্য।

Loading the player...
ছবিটি প্রতীকী


পুরুলিয়া শহরের নাপিতপাড়ার গৌরমোহন কর লেনে ভাড়া থাকতেন শেখরবাবুরা। পাওনাদারদের চাপ সহ্য করতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন তাঁরা। বাড়ির মালিক ভোলানাথ পরামানিক বলেন, "ভাড়াটিয়াই শুধু নন, একই পাড়ায় বাড়ি থাকার দরুণ ভাইয়ের মতো থাকতেন শেফাল। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা বুঝতে পারছি না।" স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঋণের দায়ে নিজের ভিটে বিক্রি করেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী শেখর কর্মকার। তাঁর স্ত্রী নাপিতপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। দীর্ঘদিন ধরে লটারির টিকিট কিনে কিনে বাজারে অনেক টাকা ধার হয়ে গেছিল। ঋণের পরিমাণ এতটাই হয়ে গেছিল যে পাওনাদাররা বিভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছিলেন। ধার শোধ করতে পেনশন ও স্ত্রীর বেতনের টাকাও কম পড়ছিল। শেষ পর্যন্ত মানসিক অবসাদে ভুগে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকে।


দম্পতির দুই মেয়ে মধুছন্দা সূত্রধর এবং মধুমিতা সরকার বিবাহসূত্রে অ্যামেরিকায় থাকেন। মৃত বাণীদেবীর সহকর্মী শিক্ষিকা রিতা ওঝা ঘটনাটি শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, "দু'দিন আগেই অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁকে বাড়িতে গিয়ে দেখে আসি। ১৯ বছর ধরে একসঙ্গে শিক্ষকতা করছি। কোনওদিন অভাব বা সমস্যার কথা জানাননি বাণীদি। পুজোর আগে পাঁচ মাস মেয়েদের কাছে ছিলেন। নভেম্বর মাসে কাজে যোগ দেন।"


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES